মানসুরা আক্তার কাকলী, নিজস্ব প্রতিবেদক
গাজীপুরের কালিয়াকৈরে বিজয় মিছল নিয়ে বিভিন্ন স্থাপনায় হামলার ঘটনা ঘটে। তারই ধারাবাহিকতায় চন্দ্রা বনবিভাগ অফিসেও বিজয় মিছলের নামে হামলা করে গুলি সহ ১২টি আগ্নেয় অস্ত্র লুট করেন। চলমান পরিস্থিতিতে দেশের প্রতিটি থানায় পুলিশ না থাকায় এখন পর্যন্ত লুষ্ঠিত অস্ত্রগুলো উদ্ধার করা সম্ভব হয়নি। তবে এ ধরনের ঘটনায় ব্যাপক নিরাপত্তাহিনতায় ভুগছেন বন বিভাগের কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা। হামলাকারীরা অফিসের আসবাবপত্র,কাগজ পত্র সহ বিভিন্ন মালামাল ও একটি গাড়ী ও ৫টি মোটর বাইকে আগুন দিয়ে পুড়িয়ে দেয়। এই সময় অফিসে থাকা ৪টি শর্টগান ও ৮টি চাইনিজ রাইফেলসহ মোট ১২টি আগ্নিয় অস্ত্র ও ৮২৪ রাউন্ড গুলি লুট করে নিয়ে যায় দুর্বৃত্তরা । বন বিভাগের অফিসের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা বিষয়টি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা কাউসার আহম্মেদ এবং কালিয়াকৈর থানার ওসি এ এফ এম নাসিম সহ বনবিভাগের উধ্বর্তন কর্তৃপক্ষদের অবগত করেছেন। কালিয়াকৈর রেঞ্জ কর্মকর্তা মনিরুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান যে, চলমান দেশের পরিস্থিতিতে কালিয়াকৈর থানায় পুলিশ না থাকায় এখনো অভিযোগ দায়ের করা সম্ভব হয়নি। এবং অস্ত্রগুলো উদ্ধার না হওয়ায় আমরা চরম ভোগান্তি ও নিরাপর্তাহীনতায় ভুগছি। এই সুযোগে চন্দ্রা রেঞ্জের আওতাধীন বনের জমি জবর-দখল করে ঘর বাড়ী নির্মাণ করছে এক শ্রেণীর ভূমি দস্যুরা। আইনশৃঙ্খলা বাহিনী প্রশাসন থানায় নজরদারী না করা পর্যন্ত অনিরাপদে দেশের সকল শ্রেনীপেশার মানুষ।অতিদ্রুত থানার কার্যক্রম সচল করে বন বিভাগের অস্ত্র গুলি উদ্ধার ও প্রত্যেকটা ঘটনার চুড়ান্ত তদন্ত পূর্বক ব্যবস্থা গ্রহনের জোরদাবী জানান বন কর্মকর্তা ও কর্মচারী বৃন্দ।